দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাতে বিপুল পরিমাণ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ভাণ্ডার নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রায় ৫০ শতাংশ ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। পাশাপাশি থাড সিস্টেমের অর্ধেকের বেশি এবং প্রিসিশন স্ট্রাইক মিসাইলের প্রায় ৪৫ শতাংশ খরচ হয়েছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন ও প্রতিরক্ষা বিশ্লেষণ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, এই বিপুল ব্যবহারের কারণে ভবিষ্যতে বড় ধরনের সংঘাতে গোলাবারুদ ঘাটতির ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্যবহৃত অস্ত্র পুনরায় মজুত করতে ৩ থেকে ৫ বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।
সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের এক বিশ্লেষণে বলা হয়, পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সক্ষমতায় সাময়িক দুর্বলতা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে চীনের মতো শক্তির বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সংঘাতের ক্ষেত্রে এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।
তবে পেন্টাগন বলছে, যেকোনো পরিস্থিতিতে সামরিক অভিযান পরিচালনার সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের রয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন অস্ত্র উৎপাদন বাড়াতে নতুন চুক্তিও করেছে বলে জানানো হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধকালীন উচ্চমাত্রার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি সামরিক প্রস্তুতিতে চাপ তৈরি করছে এবং দ্রুত মজুত পুনর্গঠন এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এমএস/